■ ছন্দে ও আনন্দে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ■
৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹

No automatic alt text available.

বিশ্বাস – অবিশ্বাস নিয়ে নানা মুনির নানা মত !
আমি কোনো ডাক্তার নই । তবু ঘরে বসেই ডাক্তারি করে হোমিও চিকিৎসায় অনেকেই নানাভাবে উপকৃত হয়েছেন , আবার অনেকে ডাক্তারি না পাশ করেই , শুধু বই পড়েই অনেকেই পাড়া – পড়শীর চিকিৎসা করেছেন , এমন নজির কম নয় ! তাছাড়া অনেক গরিব – প্রান্তিক মানুষ দুর্মূল্য এলোপ্যাথির চিকিৎসা করাতেও সক্ষম নন ।
তাদের এমন চিকিৎসা হয়তো উপকারে লাগতে পারে ভেবে কিছু নমুনা অসুখ ও তার চিকিৎসা কিছুটা ছন্দে এবং কিছু অতিরিক্ত সংযোজনি রোগ ও চিকিৎসার ওষুধ তথ্য হিসেবে পাওয়া গেলো । যদি কোনো ভুল থাকে , তা উল্লেখ করে সংশোধন করে দিলে , পাঠক সমাজ আরো উপকৃত হবেন । তবে আবারো বলি , উপযুক্ত চিকিৎসা পাওয়ার জন্য উপযুক্ত চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই নেওয়া দরকার ।

A(a)=Aconite (একোনাইট)

একোনাইট খাব রাশি রাশি,
হঠাৎ হলে ঠান্ডা- কাশি ।

B(b)=Belladonna (বেলেডোনা)

বেলেডোনায় যাবে মাথা – ব্যথা,
থাকবে না আর দুঃখ – গাঁথা ।

C(c) =Capsicum (ক্যাপ্সিকাম)

ক্যাপ্সিকামের আছে কাম,
গলা জ্বালায় দেয় যে আরাম।

D (d) =Dulcamara (ডালকামারা)

ডাল্কামারা , হয় না বাসি
শরতকালের সর্দি কাশি।

E(e)= Euphresia (ইউফ্রেসিয়া)

ইউফ্রেসিয়া থাকলে সাথে ,
চোখ উঠলে সারায় তাতে ।

F (f)=Ficus indica (ফিকাস ইন্ডিকা)

ফিকাস ইন্ডিকা – কে মনে পড়ে,
গায়ে-গতরে যদি রক্ত ঝরে।

G(g)=Gelsemium (জেলসেমিয়াম)

জেলসেমিয়াম মিলে তাতে,
জ্বরের সঙ্গে অঙ্গসকল নিস্তেজ যাতে।

H(h)=Hypericum (হাইপেরিকাম)

হাইপেরিকামে নাইকো আরাম,
পেরেক ফুটলে দেয় যে আরাম ।
হাইপেরিকামে হয় যে ব্যাঘাত,
স্নায়ুপ্রান্তে পাইলে আঘাত।

I(i)=Ignatia (ইগ্নেসিয়া)

ইগ্নেসিয়ার অনেক কথা
মনে, যখন অনেক ব্যথা।

J(j)=Justicea (জাস্টেসিয়া)

জাস্টেসিয়া থাকলে ঘরে,
ঘুংড়ী(তীব্র)কাশি যাবে মরে।

K(k)=kreosot(ক্রিয়জট)

ক্রিয়জট অনেকেই কয়,
মুখে যখন দন্ত ক্ষয় হয়।

K(k)=kalmegh(কালমেঘ)

কালমেঘ মনে পড়ে,
কালাজ্বর থাকলে পড়ে।

L(l)=Lycopodium(লাইকোপোডিয়াম)

লাইকোপোডিয়াম দিলে ক’বার,
জন্ডিস(যকৃত) পীড়া হবে সাবাড়। লাইকোপোডিয়াম দিলে পরে,
স্মৃতি শক্তি বাড়বে তোড়ে।

M(m)=Momordica charantia
(মমোরডিকা ক্যারান্টিয়া)

মমোরডিকা ক্যারান্টিয়ার আছে ভেষজ ক্রিয়া, এমন ওষুধ খেলে যে আর থাকে না হাম পীড়া ।

N(n)=Nux vomica (নাক্স ভমিকা)

নাক্স ভমিকা খেলে পরে,
পেট ব্যথা , কোষ্ঠ্যকাঠিন্য শিথিল করে।

O(o)=Opium(ওপিয়াম)

ওপিয়াম খেলে পরে,
দুচোখ ঘুমে ঢলে পড়ে।
ওপিয়ামের কথা মনে পড়ে
নাক ডেকে যদি ঘুমোয় ঘরে ।

P(p)=Pulsatilla(পালসাটিলা)

পালসাটিলার অনেক গীত,
লাজুক লাজুক চেহারাতে যত ব্যথা তত শীত।

Q(q)=Quassia amara(কোয়াসিয়া আমারা)

কোয়াসিয়া দিলে পরে,
পরিপাক ক্রিয়া সবল করে।
কোয়াসিয়াই আছে ক্রিয়া,
থাকবে না আর পেটের পীড়া ।

Q(q)=Quinia Indica(কুইনিয়া ইন্ডিকা)

কুইনিয়া খাইলে সময় করে
ম্যালেরিয়া জ্বর ছাড়বে তোড়ে।

R(r)=Rhus tox(রাস টক্স)

রাস টক্স দিলে যাবে চলে,
অঙ্গে ব্যথা আর ফোস্কা পূর্ণ উদ্ভেদ হলে।

S(s)=Sizygium Jambolinum
(সিজিজিয়াম জাম্বোলিনাম)

সিজিজিয়াম দিব তাদের,
ডায়াবেটিস আছে যাদের।

T(t)=Terebinthina(টেরেবিন্থিনা)

টেরেবিন্থিনা দেবো তাদের,
মূত্র শূলে রক্ত যাদের।

U(u)=Urtica urens(আরটিকা ইউরেন্স)

আর্টিকা ইউরেন্স দিব তখন তখন,
আমবাত হবে যখন যখন।

V(v)=Verbascum(ভার্বাস্কাম)
ভার্বাস্কাম তেলের নাম আছে যাতে
কর্ণশুলের কাম হবে তাতে ।

W(w)=Withania sominifera
(উইদানিয়া সমিনিফেরা)

উইদানিয়া সমিনিফেরার নাইকো জুরী,
যাতে বল শক্তি সবল করি ।

X(x)=Xanthoxylum
(এক্সান্থক্সাইলাম জ্যান্থক্সাইলাম)

এক্সান্থক্সাইলাম দিব সাথে সাথে,
বাধক – ব্যথার তৎক্ষণাতে ।

Y(y)=Youhimbinum (ইউহিম্বিনাম)

ইউহিম্বিনাম এমনই নাম, যাতে বাড়ে (পুরুষের)স্নায়ুর কাম।

Z(z)=Zingiber (জিঞ্জিবার)
জিঞ্জিবার খেলে গিলে, বদহজম যাবে মিলে । জিঞ্জিবার রাখো ঘরে , বদহজম থাকলে পরে। জিঞ্জিবার খাবে না যারা, বদহজমে থাকবে তারা ।

সংযোজনী আরো কিছু পরামর্শ :
…………………………………………..

1. আঘাত পেয়ে যেকোন রোগ হলে — Arnica
2. হঠাৎ আসা যেকোন রোগে — Aconite
3. গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে –Silicia 200
4. ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে গেলে-Staphysagria
5. পিন, তারকাটা, পেরেক, লোহা বিঁধলে — Ledum Pal 200
6. অতিরিক্ত হাঁচি আসলে — Natrum Mur 30
7. যানবাহনে চড়ে বমি হলে — Cocculus Ind
8. ঘুমের মাঝে নাক ডাকলে — Opium
9. ঘুম না আসলে — Opium

10. অত্যধিক ঘুমের জন্য লেখাপড়ার ক্ষতি হলে — Ferrum Phos 3x
11. চোখের পাতায় বার বার অঞ্জলি/তেলেঙ্গা হলে — Staphysagria
12. যে কোন স্থানে, যে কোন ব্যথায় — Mag phos 6x
13. ক্ষুধা ও বলশক্তি বৃদ্ধির জন্য — Nux Vom Q
14. খাবারে রুচি না থাকলে — Amloki Q
15. শরীরের কোন স্থান কেটে রক্তপাত ঘটলে –Calendula Q (বাহ্যিক)
16. বর্ষা/বৃষ্টির কারণে যেকোন রোগ হলে — Rhus Tox
17. আমাশয় হলে — Merc Sol
18. আমাশয়ে রক্ত গেলে — Merc Cor
19. শরীরের যেকোন স্থান দিয়ে টাটকা লাল রক্ত স্রাব হলে — Sinaberis

20. কি ঔষধ প্রয়োগ করবেন না জানলে — NuxVom — 30
21. নড়াচড়া বা চাপলে আরাম — RhusTox
22. চুপচাপ থাকলে আরাম — Bryonia Alb
23. স্কুল কলেজ/অবিবাহিত যুবকদের কামরিপু দমনের জন্য — Cantharis
24. গায়ক/বক্তার স্বর ভেঙ্গে গেলে — Custicum/Arg Nit
25. স্মরণশক্তি লোপ পেলে — Anacardium
26. খিটখিটে মেজাজ বদ — রাগি লোকদের যেকোন রোগে-Camomila
27. আগুন, গরম ও রৌদ্রজনিত যেকোনো রোগে বা সমস্যায় — Glonoine
28. শুঁচিবায়ু রোগির জন্য- Syphillinum — 10m
29. বাচ্চারা বিছানায় প্রস্রাব করলে — Cina

30. মৌমাছি হুল ফুটালে — Apis Mel
31. চুন খেয়ে জিহ্বা পুড়লে/সমস্যা হলে — Causticum
32. পিঠে ব্যথায় — Lycopodium
33. ঘাড় ব্যথার জন্য — Conium
34. দুর্গন্ধ যুক্ত যেকোন স্রাব হলে — Achinesia
35. সোরাইসিসের জন্য — Gynocardium Q
36. যা খায় তাই বমি করে, কোন খাবার হজম হয়না — Symphoricur pus 30
37. মাথায় যন্ত্রনা বা ব্রেনের যেকোন সমস্যায় — Kali Phos 6x
38. মহিলাদের জরায়ু ঝুলে গেলে — Sipia 200
39. মহিলাদের তলপেটে ব্যথা হলে —
Colophylom Q

40. প্রস্রাব ধারনে অক্ষমতা — Causticum 200
41. গুরুপাক খাবার খেয়ে অসুখ হলে — Pulsitilla
42. যেকোনো বাতের জন্য — Guacum
43. শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হলে —
Calcaria phos-6x
44. শরীরে আয়রনের অভাব হলে —
Ferum phos — 6x
45. শরীরে মাল্টিভিটামিনের প্রয়োজন হলে — Five Phos
46. ছাত্র-ছাত্রীদের পড়তে গেলে মাথাব্যথা — Calcaria phos
47. রোগী কথায় কথায় “যদি” শব্দ থাকলে —
Arg Nit 200
48. মুখ ও গলার ভিতর যেকোন রোগে —
Marc Sol
49. ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ার ঔষধ —
Eupatorium Perfoliatum
50. হৃদরোগের মহা ঔষধ —
Crataegus Oxyacantha

আবারও বলি , আপদকালীন সময়ে এটা প্রয়োজনে লাগলেও , উপযুক্ত চিকিৎসক রোগ ও রোগীর লক্ষণ দেখেই চিকিৎসা করা বাঞ্ছনীয় !

………………………………….
কৃতজ্ঞতা স্বীকার :
Subhas Debnath
বেস্ট কেয়ার হোমিও চেম্বার